
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলায় এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধারআটক। স্বামী
নাসির উদ্দিন(নাহিদ)তালুকদার
জেলা প্রতিনিধি মাদারীপুর।
মাদারীপুর শিবচর উপজেলায় এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যারঘটনায় স্বামী আটক করে শিবচর থানা পুলিশ।
ঘটনাস্থলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার(১৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান বেপারী কান্দি এলাকায় এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম রোকেয়া বেগম (৫৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রোকেয়া বেগম তার স্বামী আবুল মৃধা এবং দুই ছেলে আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়ার সঙ্গে একই ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে রোকেয়া বেগমকে গলাকেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী আবুল মৃধাকে আটক করে।
আটককৃত আবুল মৃধা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করলেও কী কারণে স্ত্রীকে হত্যা করেছেন-সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট কারণ জানাতে পারেননি।
এ কারণে হত্যাকাণ্ডটি রহস্যজনক বলে মনে করছে পুলিশ। স্থানীয়দের দাবি, নিহত পরিবারের সঙ্গে চুরি ও নেশাসহ বিভিন্ন অপরাধের সম্পৃক্ততার অভিযোগ দীর্ঘদিনের; তবে এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এ বিষয়ে শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, “স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করি এবং ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠাই। অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করা হয়েছে। তিনি হত্যার কথা স্বীকার করলেও ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে আমরা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছি।”
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত তথ্য জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।